শনিবার, ২০ জুন, ২০০৯

এগিয়ে আনা হচ্ছে ঘড়ির কাটা

দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে এই প্রথম বারের মতো চালু হতে যাচ্ছে Daylight Saving Time (DST) পদ্ধতি। এপদ্ধতিতে ঘড়ির কাটা ১ ঘণ্টা এগিয়ে আনা হবে। ফলে বর্তমানে যখন সকাল ৮টা বাজে তখন বাজবে সকাল ৯টা। আর বিকেল ৪টার সময় বাজবে বিকেল ৫টা। এতে সকল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস এবং আদালতের সময়ও একঘণ্টা এগিয়ে আসবে। ফলে দিনের আলো ব্যবহার করে ৫ শতাংশের বেশি জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী ১৯ জুন থেকে এ পদ্ধতি কার্যকর হবে।
বিশেষ তথ্য:
  • ১৮৭৪ সালে বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন প্রথম এ বিষয়ে কথা বলেন।
  • ১৯০৫ সালে উইলিয়াম উইলেট নামের এক ব্যক্তি ডিএসটি’র ধারণাটি উদ্ভাবন করেন।
  • ১৯১৬ সালে যুক্তরাজ্য সর্বপ্রথম ডেলাইট সেভিং টাইম পদ্ধতি চালু করে।
  • বর্তমানে বিশ্বে ৭৮টি দেশে পূর্ণাঙ্গ বা আংশিকভাবে এ পদ্ধতি চালু আছে।
  • আদৌ চালু নেই ১২৯টি দেশে।

দেশের প্রথম নারী ওসি হোসনে আরা

গত ১৭ মে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে প্রথম নারী অসি হিসেবে নিয়োগ পেলেন হোসনে আরা। এর আগে কোন নারী এ পদে দায়িত্ব পাননি। হোসনে আরা ১৯৮১ সালে সাব-ইন্সপেক্টরই হিসেবে পলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন। হোসনে আরা বেগমের গ্রামের বাড়ি গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার পূবাইল গ্রামে।
বিশেষ তথ্য :
  • ১৯৭৪ সালে সর্বপ্রথম পুলিশ বাহিনীতে নারীদের নিয়োগ দেয়া হয়।
  • সদস্য সংখ্যা ছিল ১৪ জন।
  • বর্তমানে নারী সদস্য ১৯৩৭ জন।
  • প্রথম নারী ডিআইজি ফাতেমা বেগম।

টুকরো খবর

শহীদ বরকতের ডিগ্রির সনদ হস্তান্তর
দীর্ঘ ৫৭ পর গত ২২ মে ভাষাশহীদ আবুল বরকতের স্নাতক ডিগ্রীর সনদ হস্তান্তর করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ভাষা আন্দোলনের সময় আত্মদানকারী এই শহীদ ১৯৫১ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন।

বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ৬৯০ মার্কিন ডলার
দেশের মাথাপিছু গড় আয় ৬৯০ ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৪৭,৩৭৩ টাকা। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সম্প্রতি এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৪.৪২ কোটি ধরে এ হিসাব করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৭-০৮ অর্থ বছরে প্রাথমিকভাবে ৫৯৯ মার্কিন মাথাপিছু আয় প্রাক্কলন করা হলেও বছর শেষে তা বেড়ে দাড়ায় ৬০৮ মার্কিন ডলারে।

আবারও পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বাংলাদেশ
আবারও পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। এর বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০১২-২০১৬ সাল। জাতীয় অর্থনৈতিক কমিটি’র (এনইসি) সভায় ২৬ মে এ পরিকল্পনাসংক্রান্ত সার-সংক্ষেপ উপস্থাপন করা হয়। উল্লেখ্য, বিগত চার দলীয় জোট সরকার এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় যথাক্রমে ‘দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (পিআর এসপি)-১ ও ২’ নামে দুটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের পূর্ববর্তী মেয়াদসহ আগের সরকারগুলোর সময়ে পঞচবার্ষিক পরিকল্পনা চালু ছিল।

পুলিশের নতুন গোয়েন্দা ইউনিট সিআইইউ
ক্রিমিনাল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (সিআইইউ) নামে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি নতুন গোয়েন্দা ইউনিট গঠন করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বিধিমালা ২০০৬ অনুসারে এটি গঠন করা হয়।

নতুন মুখ : মে ২০০৯

প্রধানমন্ত্রী

* সুদান : সুলেমান এনদিনে এনদিয়ে
* ফিলিস্তিন : সালাম ফায়াদ
* নেপাল : মাধব কুমার নেপাল
* ভারত : ড. মনমোহন সিং (দ্বিতীয়বার)

প্রেসিডেন্ট

* জার্মানি : হন হার্স্ট কোয়েলার
* মঙ্গোলিয়া : সাখিয়াগিন এলবেগদোরজ
* পানামা : রিকার্দো মার্তিনেলি
* দক্ষিণ আফ্রিকা : জ্যাকব জুমা
* লিথুনিয়া : ডালিয়া গ্রেবাউসকাতি (দেশটির ইতিহাসে প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট)

মহাপরিচালক

* বাংলা একাডেমী : অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান
* আনসার ও ভিডিপি : ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রফিকুল ইসলাম
* পিআইবি : একেএম শামীম চৌধুরী
* ডব্লিউটিও (WTO) : প্যাসকাল ল্যামি

চেয়ারম্যান

* পরমাণু শক্তি কমিশন : ড. মো. মোশাররফ হোসেন
* পর্যটন কর্পোরেশন : মিজানুর রহমান
* দুর্নীতি দমন কমিশন : গোলাম রহমান
* প্রশিকা : অব্দুল ওয়াদুদ

সোমবার, ১১ মে, ২০০৯

নিজেকে অযোগ্য ঘোষণা করলেন সিনিয়র বিচারপতি

খালেদা জিয়ার রীটের শুনানীতে আবারো বিব্রত হলেন এক বিচারপতি। মজার ব্যাপার হলো তিনি ঐ বেঞ্চের সিনিয়র বিচারপতি। এই নিয়ে একটি বিষয়ে চারটি বেঞ্চ বিব্রত হলেন। আর আদালতের বিচারপতিদের বিব্রত বোধ করা দেখে আমরাই বরং বিব্রত বোধ করছি। এ বিব্রতবোধ নজিরবিহীন, হাস্যকর, অনিভেপ্রত, দুঃখজনক ও রহস্যজনক।
এতদিন নিজের অধিকার রক্ষায় একটি জায়গায় আস্থা রাখা যেত, যেটি হচ্ছে উচ্চতর আদালত। দুঃখের বিষয় এখন আদালতের বিচারপতিরা যে হারে বিব্রতবোধ করছেন তাতে জনগণের সেই আস্থা অবশ্যই ভঙ্গ হবে। এই কি বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়ার নমুনা?
এর আগে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার শুনানিতেও কোন কোন বিচারপতি বিব্রত বোধ করছিলেন বলে আমরা জানি।
কিন্তু কেন এ বিব্রতবোধ। অনেকে বলছেন, সরকারের বিপক্ষে রায় দিতে হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই বিচারপতিদের এই বিব্রতবোধ। সত্যিই কি তাই??? নাকি সরকারী চাপ??
যাই হোক, ন্যায় বিচারের শপথ নিয়ে যারা বিচার কার্য পরিচালনায় অক্ষমতা প্রকাশ করছেন তাদের উচিত অবিলম্বে পদত্যাগ করে বিচার বিভাগকে রক্ষা করা। নতুবা আদালতের ওপর থেক জনগণের আস্থা চলে গেলে আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। তখন দেশে অরাজকতা অবশ্যম্ভাবী।

কারেন্ট ইস্যু : সর্বশেষ সংযোজন

Current Issue Forum Headline Animator

Current Issue Forum